মুজিব বর্ষ ঘিরে মহাপরিকল্পনা

আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ২০২০-২১ সালকে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছে সরকার। ১৭ মার্চ বর্ণাঢ্য উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বছরব্যাপী এ উদযাপন। মুজিব বর্ষ ঘিরে এরই মধ্যে ২৯৬টি পরিকল্পনাসংবলিত একটি মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
জাঁকজমকপূর্ণভাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদযাপনে দুটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ১০২ সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি’। এ কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অন্যদিকে জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে সভাপতি ও কবি কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীকে প্রধান সমন্বয়কারী করে গঠন করা হয়েছে ৬১ সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, আগামী ১৭ মার্চ মুজিব বর্ষ শুরু হচ্ছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, দেশের বাইরে সারা পৃথিবীতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হবে। এ উদযাপনে তৃণমূল পর্যায়ের জনগণ থেকে শুরু করে সারা পৃথিবীকে সম্পৃক্ত করা হবে। সে অনুযায়ী আমাদের পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

অগ্নি দুর্ঘটনায় জানমালের অপসারণ ও উদ্ধার কার্যক্রম

অগ্নি দুর্ঘটনায় জানমালের অপসারণ/উদ্ধার কার্যক্রম

ভূমিকা

১।           ইভাকুয়েশন ড্রিল এর উদ্দেশ্য হচ্ছে কোন ভবনে অগ্নি দূর্ঘটনা বা অন্য যে কোন দূর্যোগ মূহুর্তে অতি অল্প সময়ে জরুরী নির্গমন পথে নিরাপদ ও শৃঙ্খলার সাথে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে সম্মিলিত অবস্থান নেয়ার অনুশীলন। অন্যভাবে বলা যায় দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ভবন থেকে আটকে পড়া লোকজনকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পদ্ধতিগতভাবে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নাম ইভাকুয়েশন বা লোক অপসারণ।

ইভাকুয়েশন প্লান

২।            ইমারতের ধরণ এবং অবকাঠামোর উপর ভিত্তি করে বিপদগস্ত সমস্ত লোক অপসারণ করার জন্য অবশ্যই বিভিন্ন রকম পরিকল্পনা পূর্ব থেকেই গ্রহণ করতে  হবে এবং সে পরিকল্পনা অনুসারে লোক অপসারণ অনুশীলন ও মহড়া করতে হবে যাতে বাস্তব ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ ফলপ্রসূ হয়। কোন ভবনে অগ্নি দূর্ঘটনা বা অন্য যে কোন দূর্যোগ মূহূর্তে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস কল্পে ইভাকুয়েশন প্লান অতি গুরুত্বপূর্ণ। আটকে পড়া লোকদের নিরাপদে বের করার ধারাবাহিক পদ্ধতির বিবরণ নিম্নে দেয়া হল, যা সকলকে  অনুসরণ করতে হবেঃ

ক।          অগ্নিকান্ড বা দূর্যোগ মুহূর্তের শুরুতেই স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসকে সংবাদ দিতে হবে। বৈদ্যুতিক মেইন সুইচ বন্ধ করতে হবে। এ কাজটি করার জন্যও একজন দায়িত্বশীল প্রতিনিধি থাকবে।      

খ।           ফায়ার এলার্ম বাজানো হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। ফায়ার এক্সটিংগুয়েসার এর সাহায্যে আগুন নিভানোর চেষ্টা করতে হবে। এজন্য পূর্ব থেকেই ফায়ার এক্সটিংগুয়েসার এবং অগ্নি নির্বাপক দল প্রস্তুত রাখতে হবে।

গ।           যে ফ্লোরে অগ্নিকান্ড সংঘঠিত হয়েছে সেই ফ্লোরের লোকজন সর্বপ্রথম বের হয়ে আসবে এবং পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য ফ্লোরের লোকজন বের হয়ে আসবে। কোনক্রমেই উপর থেকে নিচে লাফ দেওয়া যাবে না। যে সিঁড়ির কাছাকাছি আগুন থাকবে তা ব্যবহার করা ঠিক হবে না, কারণ ধোঁয়া ও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনাসহ মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।

ঘ।           ভবনের জন্য পূর্ব নির্ধারিত অগ্নি নির্বাপক দল, উদ্ধারকারী দল ও প্রাথমিক চিকিৎসাকারী দল নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবে। জরুরী অবস্থায় নিরাপত্তা কর্মীদের অবশ্যই টর্চ বা ইমারজেন্সি লাইট ব্যবহার করতে হবে। মনে রাখতে হবে যে, জরুরী অবস্থায় ভবনের ভিতর অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে।

ঙ।           ইভাকুয়েশনের সময় নিকটবর্তী সিড়ি ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথমে গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তি, বিকলাঙ্গ ব্যক্তি, মহিলা তারপর পুরুষদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বের হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

চ।           অগ্নি কান্ড বা দূর্যোগের সময় লিফট ব্যবহার করা যাবে না। জরুরী অবস্থায় কেউ কাউকে ওভারটেক করা ঠিক হবে না, তাতে পড়ে গিয়ে পদদলিত হবার সম্ভাবনা থকে। এজন্য যে আগে আছে তাকে আগেই যেতে দিতে হবে।

ছ।           ইভাকুয়েশনের সময় অহেতুক হুড়োহুড়ি, দৌড়াদৌড়ি বা চিৎকার চেচামেচি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সিঁড়ি/ইমারজেন্সি এক্সিট দিয়ে নামার সময় শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে আস্তে আস্তে নামতে হবে।

জ।           ব্যক্তিগত বা গুরুত্বপূর্ণ বা মূল্যবান জিনিসিপত্র সংগ্রহের জন্য অযথা সময় নষ্ট করা যাবে না।

ঝ।          যেহেতু আগুন উর্ধমুখী, যে তলায় আগুন লেগেছে সে তলার লোক প্রথম নামবে। যেমন; তিন তলায় আগুন লাগলে সেখানকার লোক প্রথম নামবে। তারপর তার উপর দিকের লোক নামবে যথা- চার, পাঁচ, ছয়তলা ইত্যাদি। এভাবে উপর তলার সব লোক নামার পর দোতালা  এবং প্রথম তালার লোক বের হবে সর্বশেষে।

ঞ।          ইভাকুয়েশনের শেষ পর্যায়ে এসেম্বলী পয়েন্টে সমাবেত হতে হবে এবং মাস্টারিং করে অনুপস্থিত ব্যক্তির সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে।

টেলিফোন অপারেটরের দায়িত্ব

৩।          টেলিফোন অপারেটর কর্তৃক কোন অগ্নি দূর্ঘটনা সংবাদ প্রাপ্তির পর যথাযথ ভাবে তথ্য গ্রহণ করতঃ অনতিবিলম্বে ক্রাশটেন্ডার / ডমেস্টিক টেন্ডার অগ্নি দূর্ঘটনা স্থলে পাঠানোর ব্যবস্থা করিবে । টেলিফোন ইনডেক্স অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সকল নাম্বারে ফোন করে বিপদকালীন পরিস্থিতি অবহিত করবেন।

মনিটর দ্বারা পানি দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার পদ্ধতি

৪।     মনিটর দ্বারা পানি দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার সময় ফায়ার লিডার/প্যানেল অপারেটর নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করবে:

ক।    মনিটর সঠিক দিকে রাখতে হবে।

খ।    ফোম স্প্রে পাইপ সরাতে হবে।

গ।    মনিটর সুইচ অন করতে হবে।

ঘ।    প্রয়োজনমত প্রেসার বাড়াতে/কমাতে হবে।

কার্বন ড্রাই অক্সাইড (Co2) গ্যাস দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার পদ্ধতি

৫।    কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার সময় ফায়ার লীডার/প্যানেল অপারেটর নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করবেঃ

ক। সিওটু  (Co2) হোজ রীল হতে হোজ বের করতে হবে।

খ। সিওটু (Co2) সিলিন্ডার ভাল্ব অন করতে হবে।

গ। মনিটর পাইপ কন্ট্রোল ভাল্ব অন করতে হবে।

ঘ। স্প্রে নজেল অন করতে হবে।

কার্বন ডাইঅক্সাইড  (Co2) গ্যাস দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার পর করণীয়

৬।   কার্বন ডাই অক্রাইড (Co2) গ্যাস দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার পর ফায়ার লীডার/প্যানেল অপারেটর নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করবেঃ

ক। সিওটু (Co2) সিলিন্ডার ভাল্ব বন্ধ করতে হবে।

খ। অপেক্ষা করে দেখতে হবে কোন গ্যাস বের হয় কি না। তারপর ম্যানুফন্ট পাইপ ম্যানুয়াল কন্ট্রোল ভাল্ব বন্ধ করতে হবে।

গ। স্প্রে নজেল বন্ধ করতে হবে। 

ড্রাই ক্যামিক্যাল পাউডার দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার পদ্ধতি

৭।     ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার (DCP) দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার সময় চালক/ ফায়ার লীডার/প্যানেল অপারেটর/  ফায়ার ম্যান নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করবেঃ

ক।    গাড়ির ইঞ্জিন চালু করতে হবে।

খ।    পাওয়ার সুইচ অন করতে হবে।

গ।    ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার হোজ বের করতে হবে।

ঘ।    মেইন সুইচ চালু করতে হবে ।

ঙ।    নাইট্রোজেন ভাল্ব অন করে পেসার ১২/১৪ বারে তুলতে হবে।

চ।    ম্যানুফন্ট ম্যানুয়াল ভাল্ব সুইচ অন করতে হবে ।

গ।    ডিসচার্জ পাউডার সুইচ অন করতে হবে।

ঘ।    স্প্রে নজেল অন করতে হবে।

ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার পর ফ্লাসিং করার পদ্ধতি

৮।    ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার (DCP) দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার সময় চালক/ ফায়ার লীডার/প্যানেল অপারেটর / ফায়ার ম্যান নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করবেঃ

ক।    ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার ডিসর্চাজ সুইচ বন্ধ করতে হবে ।

খ।    নজেল ক্লিনিং সুইচ অন করতে হবে এবং লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে লজেলে পাউডার না থাকে।

গ।    নজেল ক্লিনিং সুইচ বন্ধ করতে হবে।

ঘ।    নাইট্রোজেন ভাল্ব বন্ধ করতে হবে।

ঙ।    ম্যানুফন্ট ম্যানুয়াল পাইপ রিলিজ ভাল্ব বন্ধ করতে হবে।

চ।    ম্যানুফন্ট ম্যানুয়াল পাইপ কন্ট্রোল ভাল্ব বন্ধ করতে হবে।

ছ।   পাউডার ট্যাংক ম্যানুয়াল রিসাইবল গ্যাস ধীরে ধীরে অন করতে হবে এবং সম্পূর্ন গ্যাস নির্গমনের পর বন্ধ করতে হবে।

জ।    পাউডার ট্যাংক নাইট্রোজেন সুইচ বন্ধ করতে হবে।

ঝ।    পাওয়ার সুইচ বন্ধ করতে হবে।

ঞ।    ইঞ্জিন সুইচ বন্ধ করতে হবে।

পানি দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার পরে  করনীয় কার্যক্রম

৯।    পানি দিয়ে ফায়ার ফাইটিং করার পরে চালক/ফায়ার লীডার/প্যানেল অপারেটর/ফায়ার ম্যান নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করবেঃ

ক।          পানির প্রেসার কমিয়ে আনতে হবে ।

খ।           ইনলেট ভাল্ব সুইচ অন করতে হবে ।

গ।           ম্যানুয়েল আউটলেট ভাল্ব বন্ধ করতে হবে ।

ঘ।           পিটিও সুইচ বন্ধ করতে হবে ।

ঙ।           আউটলেট ভাল্ব সুইচ বন্ধ করতে হবে ।

চ।           মাস্টার সুইচ বন্ধ করতে হবে ।

জরুরী মুহূর্তে জরুরী নম্বরসমূহ

এসকেএস টাওয়ার

ক্রমিক নং নাম দায়িত্বে নিয়োজিত           মোবাইল নম্বর মন্তব্য
১. সিঃ ওঃ অঃ নজরুল সিকিউরিটি ইনচার্জ             মোবাইল নম্বর ০১৭১৪-৯৬৩৬৬৩  
২. কর্পোরাল রুহুল সিকিউরিটি (গ্রাউন্ড ফ্লোর) মোবাইল নম্বর ০১৭৫১-৭১৫৮৭৭      
৩. রবিউল  লিফটম্যান (এসকেএস)       মোবাইল নম্বর ০১৭৭৯-৯৯২৩০৯  
৪. ইনজামুল                লিফটম্যান (এসকেএস)       মোবাইল নম্বর ০১৭৬৬-৩৫৩২০৩                 
৫. জুয়েল স্যানেটারি                            মোবাইল নম্বর ০১৭২৩-৪৮০৪৮৭    
৬.   ফ্রন্ট ডেস্ক (এসকেএস)         মোবাইল নম্বর      ০২-৯৮৯০৮১৯  
৭. মিঃ নজরুল সিকিউরিটি (১১ তলা)        মোবাইল নম্বর ০১৭২৩-৬০৬০৮৮  
৮. ইঞ্জি মোক্তাদির এসি ম্যানেজার                    মোবাইল নম্বর ০১৭৪৪-৬৬৪৪৪৮  
৯. মিঃ মানসুর এসি অপারেটর                    মোবাইল নম্বর ০১৬৩২-৯৭৩০৭৩  
       

অন্যান্য অত্যান্ত  জরুরী মোবাইল নম্বর 

১.            ফায়ার সার্ভিস (তেজগাঁও)                           ৯৮৯৮১৮৭       

২.            ফায়ার সার্ভিস (ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট)               ৬০৫১৬৮           

৩.           ফায়ার সার্ভিস (কুর্মিটোলা))                        ৯৮৬০৭৬২         

৪.            পুলিশ স্টেশন (ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট)               ০১৭১৩-৩৭৩১৭২              

৫.            পুলিশ স্টেশন (তেজগাঁও)                           ০১৭১৩-৩৭৩১৮০, ৯১১৯৪৪৪, ৯১১৯৪৬৭

৬.           পুলিশ স্টেশন (গুলশান)                             ০১৭১৩-৩৭৩১৭১              

৭.            ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল            ৭১৭৬৮১২, ৮১১২৫৫৬ (এম্বুলেন্স) 

৮.           র‌্যাব   – ২                                               ০১৭৭৭-৭১০২৯৯, ০২-৮১৪২৪৮৩ 

৯.            ‌র‌্যাব – ৩                                              ০১৭৭৭-৭১০৩৯৯, ০১৭৭৭-৭১০৩০০             

১০.         বিদ্যুৎ অফিস (তেজগাঁও)                           ০১৭৩০-৩২০৩০৫ (অভিযোগ)      

১১.         ওয়াসা (মহাখালী)                                     ৯৮৯৯৩৯৯        

১২.          তিতাস গ্যাস (বাড্ডা জোন -৪)                  ৮৮১৬৬৬৫, ৮৮২৪৯৯৩             

উপসংহার

১০।   যেকোন ধরণের অগ্নি দুর্ঘটনা বা অনুরূপ কার্যক্রমরোধে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টা ও সচেতনতা অত্যান্ত জরুরী এবং এ ব্যাপারে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে সম্যক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা বাঞ্ছনীয়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সজাগ দৃষ্টি, সচেতনতা ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।

সেনা কল্যাণ ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে মুজিব কর্নার স্থাপন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ১৮/০৩/২০২০, বুধবার সেনা কল্যাণ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এর প্রধান কার্যালয়ে মুজিব কর্ণারের উদ্বোধন করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল সাজ্জাদুল হক, বিএসপি, এসইউপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি ।
এসময় সেখানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রি.জে.শফিক শামীম,পিএসসি (অব). সহ পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মুজিব কর্নারে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন আলোকচিত্রের পাশাপাশি জাতির জনকের উপর রচিত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পুস্তক সংরক্ষণ করা হয়েছে ।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে সেনা কল্যাণ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এ মুজিব কর্নার উদ্বোধন করলেন কোম্পানির চেয়ারম্যান।

মুজিববর্ষ পালনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহন

আগামী ১৭ মার্চ ২০২০ মুজিববর্ষ পালনের জন্য সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে সেনা কল্যাণ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড । প্রস্তুতির অংশ হিসাবে ইতিমধ্যে সেনা কল্যাণ ইন্সুরেন্সে কোম্পানির সম্মুখ ভাগে মুজিবর্বষ লেখা সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন টানানো হয়েছে ।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ১ মার্চকে বীমা দিবস ঘোষণা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর জন্য এটা ছিল রাজনীতির বাইরে প্রথম কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা

তাই এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১ মার্চকে বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য আজ (বুধবার) শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়েছে।

এছাড়া আলোচ্যসূচিতে রয়েছে ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইন ও জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালার খসড়া অনুমোদনের প্রস্তাব। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

১৭ মার্চ থেকে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছে সরকার। ওইদিন থেকে আগামী বছরের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি বিকাল ৫টা থেকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা শুরু হতে যাচ্ছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদানের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণার প্রস্তাব করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। তারা এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মাধ্যমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছে। মন্ত্রিসভার সম্মতি সাপেক্ষে এখন থেকে প্রতিবছর ১ মার্চ বীমা দিবস হিসেবে পালন করা হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে আইডিআরএ সদস্য গকুল চাঁদ দাস যুগান্তরকে বলেন, রাজনীতির বাইরে এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রথম ও শেষ চাকরি। চিফ এজেন্ট হিসেবে তিনি আলফা ইন্স্যুরেন্সে চাকরি করাকালীন রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে অফিস করতেন।

পরবর্তীকালে তিনি এ কোম্পানিতে গাজী গোলাম মোস্তফা, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী ও ঢাকার মোহাম্মদ হানিফকেও যোগদান করান। তাই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১ মার্চকে বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করতে একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ১ মার্চকে ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব দিয়েছি আমরা। তবে এ ব্যাপারে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৫৮ সাল থেকে আইযুব খানের মার্শাল ল’ জারি হওয়ার কারণে দেশে রাজনীতি বন্ধ ছিল। বঙ্গবন্ধু আপাতমস্তক একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন। তার পক্ষে রাজনীতি না করে থাকা সম্ভব ছিল না। এ অবস্থায় তিনি আলফা ইন্স্যুরেন্সে যোগ দিয়ে চাকরির আবরণে রাজনীতি করতেন।

গাজী গোলাম মোস্তফা, জহুর আহমেদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ হানিফকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট যেতেন। সেখানে বীমা কোম্পানির কাজে গেলেও তিনি লোকজনের সঙ্গে দেখা করে নানা ধরনের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দিতেন।

আইডিআরএ সূত্র জানায়, পৃথিবীর অনেক দেশেই বীমার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য একটি দিন, সপ্তাহ অথবা মাসকে বীমা সেবা দিবস, সপ্তাহ বা মাস হিসেবে পালন করা হয়। বাংলাদেশে কোনো বীমা দিবস না থাকলেও বীমা নীতি ২০১৪তে বীমা দিবস রাখার বিষয়টি স্থান পায়। পরে ২৬ জানুয়ারি আইডিআরএ যাত্রা শুরুর দিনটিকে বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

কিন্তু সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ট্রাস্ট ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ১৯৬০ সালের ১ মার্চ বঙ্গবন্ধু তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেছিলেন। তাই এখন এই দিনটিকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার।